বাড়তি করের পরও গ্রাহক বেড়েছে মোবাইল-ইন্টারনেটে

বাড়তি করের পরও গ্রাহক বেড়েছে মোবাইল-ইন্টারনেটে


ঢাকা: ইন্টারনেট, মোবাইল ফোন সিম ব্যবহারে সরকারকে বাড়তি কর দিতে হচ্ছে গ্রাহককে। এর মধ্যেও চলতি অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইতে দেশে মোবাইল ফোন ও ইন্টারনেট সিম গ্রাহক বেড়েছে এককোটি ১৭ লাখ ৬ হাজার ৩০০টি। এর মধ্যে মোবইল সিম বেড়েছে ১৮ লাখ ৩৪ হাজার, ইন্টারনেটের গ্রাহক সংখ্যা বেড়েছে ৯৮ লাখ ৭২ হাজার ৩০০টি। নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) পরিসংখ্যান থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে। সংস্থার তথ্যমতে মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১৮ লাখ ৩৪ হাজার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২ কোটি ৮৭ লাখে, যা জুন মাসে ছিল ১২ কোটি ৬৮ লাখ ৬৬ হাজার। গত অর্থবছরে (২০১৪-১৫) এ সময় (জুলাই মাসে) ছিল ১১ কোটি ৬৮ লাখ। চলতি অর্থবছরের জুন মাসে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা চার কোটি ৮৩ লাখ ৪৭ হাজার থেকে বেড়ে পাঁচকোটি সাতলাখ সাতহাজারে অবস্থান নিয়েছে। এ হিসাবে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা বেড়েছে ৯৮ লাখ ৭২ হাজার ৩০০টি। বিটিআরসি সূত্রে জানা গেছে, জুলাই পর্যন্ত দেশের অন্যতম মোবাইল অপারেটর গ্রামীণফোনের গ্রাহক সংখ্যা পাঁচ কোটি ৩৯ লাখ, বাংলালিংকের তিন কোটি ২৪ লাখ, রবির দুই কোটি ৭৯ লাখ, এয়ারটেলের ৯০ লাখ, সিটিসেলের ১১ লাখ ৬১ হাজার ও রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিটকের গ্রাহক ৪২ লাখ ২১ হাজার। এর মধ্যে অপারেটরের গ্রাহক সংখ্যা বৃদ্ধি হলেও কমেছে সিটিসেলের। জুলাই শেষে এসব কোম্পানি প্রায় ২৪ হাজার গ্রাহক হারিয়েছে।
এদিকে দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা পাঁচ কোটি ছাড়িয়েছে। জুলাই মাস পর্যন্ত এ খাতের গ্রাহক সংখ্যা পাঁচ কোটি সাত লাখ সাত হাজারে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে মোবাইল ইন্টারনেট গ্রাহক চার কোটি ৯২ লাখ ৪১ হাজার, ওয়াইম্যাক্স গ্রাহক এক লাখ ৭৪ হাজার এবং আইএসপি ও পিএসটিএন ইন্টারনেট গ্রাহক ১২ লাখ ৯৩ হাজার। উল্লেখ্য, দেশে মোবাইল ফোনে কথা বলার ওপর পূর্ব নির্ধারিত ১৫ শতাংশের সঙ্গে আরও পাঁচ শতাংশ যোগ হয়ে বর্তমানে ২০ শতাংশ মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) দিচ্ছে গ্রাহকরা। শুধু কথা নয়, একইহারে মোবাইল ফোন সিমসহ যত ধরনের সেবার মাধ্যমে ইন্টারনেট ব্যবহার হচ্ছে সব কিছুর ওপরই এ বাড়তি কর আরোপ হয়েছে। চলতি অর্থবছরে বাজেট অধিবেশনে এ কর হার ঠিক করেন সংসদ সদস্যরা।

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.